মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

 

পুরাকীর্তির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা

 

ধানুকাঃচন্দ্রমনি ন্যায় থূষণ হরচন্দ্র চূড়ামনি ওমহা মহোপাধ্যায় শ্রীযুক্ত বামাচরণ ন্যায় প্রভৃতির জন্মস্থান ধানুকায়।এখানকার শ্যামমূর্তি জাগ্রত দেবতা বলে কিংবদন্তী আছে। অতীতে এখানে সংস্কৃতশিক্ষাকেন্দ্র ছিল।

রাজনগরঃকীর্তিনাশা নদীতে নিমজ্জিত রাজারাজবল্লভের বাসস্থান এখানে ছিল।

ডোমসারঃএখানকার কুন্ডু পরিবার বিখ্যাত। রায়বাহাদুর খেতাব প্রাপ্ত নিত্যানন্দ কুন্ডু ও উপেন্দ্র লাল কুন্ড প্রখ্যাতব্যক্তিত্ব। উপেন্দ্র লাল কুন্ডু পশ্চিম বাংলা সরকারের এককালীন মন্ত্রীছিলেন বলে জানা যায়। এ ছাড়া সাড়া বাংলাদেশের প্রথম এম, এ গুরু প্রসাদ সেনএখানে জন্মগ্রহণ করেন।

কোয়ারপুরঃরায়সাহেব রতন মনিগুপ্ত ও কোলকাতাহাইকোর্টের উকিল বৈকুন্ঠচন্দ্র দাসগুপ্তের জন্মস্থান।

কুরাশিঃরাজা রাজবল্লভের বংশধরগণের কেউ কেউ এখানেবাস করেন বলে জানা যায়। বেশ কয়েকটি মন্দির ও শিবলিঙ্গ মূর্তি এখানে আছে।

বুড়িরহাটঃবিখ্যাত হাট। এখানে বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বেশ কয়েকটি পরিবারই এখানে বিশিষ্ট। পাশ্ববর্তীদেওভোগ গ্রামে বাংলাদেশের বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী দেবদাস চক্রবর্তী- এরজন্মস্থান। তাঁর পুত্র গৌতম চক্রবর্তীও বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী। এখানকার মসজিদ জেলার সর্বোৎকৃষ্টের মধ্যে একটি।

রুদ্রকরঃবিশিষ্ট স্থান। এখানকার হিন্দুগণ দেশবিভাগের পূর্বে বিশেষ ভুমিকা পালন করেন। এখানকার মঠ বিখ্যাত। প্রতি বছরইএখানে সাড়ম্বরে পূজা ও কীর্তন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

চিকন্দিঃবিট্রিশ জমানা হতেই এখানে একটি দেওয়ানীআদালত প্রতিষ্ঠিত। একটি বিশিষ্ট জনপদ।

মহিষারঃদক্ষিন বিক্রমপুরের এককালীন প্রখ্যাতস্থান। চাদঁরায়, কেদার রায়ের নির্দেশে এখানে পানীয় জলের জন্য কয়েকটি দিঘিখনন করা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ হতে এখানে এক সপ্তাহেরমেলা হয়। দিগম্বর সন্নাসীর মন্দিরও এখানে রয়েছে। সুপুসিদ্ধ নৈয়ায়িকগঙ্গাচরণ ন্যায় রত্বের বাসস্থান। এছাড়া স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী বেশ কিছু ব্যক্তিত্বের জন্ম এখানে।

লাকার্তাঃদেশব্যাপী প্রসিদ্ধ লাভকারী বিপ্লবীসিরাজ শিকদার, শিল্পী শামিম শিকদার, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী মশিহুর রহমানশিকদার, নূরুল হক শিকদার, লুৎফর রহমান শিকদার, প্রখ্যাত সমাজকর্মী খানবাহাদুর খলিলুর রহমান শিকদার এখানে জন্মগ্রহণ করেন। এ গ্রামে কমপক্ষে ১৫ জনডাক্তার, ১৫ জন ইঞ্জিনিয়ার,২৫জন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা সহ প্রায় একশতস্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি ধারী জাকুরিজীবী ও ব্যবসায়ী আছেন। এখানে বেশকিছু পুরাতন ইমারত আছে যা অন্তত দুইশত বছরে স্মৃতি বহন করে।

ছয়গাঁওঃভেদেরগঞ্জ থানার অন্যতম বিশিষ্ট ঐতিহাসিকস্থান। ব্রিটিশ জমানায় এ গ্রামের বহু হিন্দু নেতা স্বাধীনতা সংগ্রামেউল্লেখযোগ্য ভুমিকা রেখেছেন। ১৯৩০-৩৪ সালের দিকে সন্ত্রাস দমানের জন্যএখানে একটি বৃটিশ ক্যাম্প ছিল যেখানে বহু শিখ সেনা ব্রিটিশ সরকারেরনির্দেশে মোতায়েন করা হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ছয়গাঁও বাংলা বাজারনামে একটি বিশিষ্ট জনপদ গড়ে উঠেছে। ইউনিয়নের সকল কার্যক্রম বর্তমানেবাংলাবাজার হতে পরিচালিত হয়। খান বাহাদুর খলিলুর রহমান শিকদারের বাড়িএখানেই অবস্থিত।

দিগর মহিষখালীঃপাকিস্তান জমানার জাতীয় পরিষদ সদস্য(এম.এন.এ) বিশিষ্ট রাজনীতিক ও এডভোকেট জনাব আবদুর রহমান বকাউল এবং বাংলাদেশসরকারের এককালীন আইজিপি (পুলিশ মহাপরিদর্শক) এবং ২০০৬ সালের তত্বাবধায়কসরকারের অন্যতম উপদেষ্ট জনাব এম আজিজুল হকের জন্মভুমি। এখানে বিশিষ্টজননেতা ও প্রাক্তন জাতীয় পরিষদ সদস্য জনাব আবিদুর রেজা খানও জন্মগ্রহণকরেন।

মনুয়াঃবাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব জনাব এ, মতিন খান, বিশিষ্ট সমাজকর্মী আজিজুল হক মল্লিক, ছয়গাঁও ইউনিয়নের বহু বছরচেয়ারম্যান পদে দায়িত্বপালনকারী জনাব আবদুল আজিজ ভুঞা ও আবদুল করিম মোল্লারজন্ম স্থান। এখানকার ঘোলপাড় বিখ্যাত।

রামভদ্রপুরঃবিশিষ্ট স্থান, বর্তমান ভেদরগঞ্জ সদর পৌরসভার অংশ। বিশিষ্ট কম্যুনিষ্ট নেতা শান্তি সেন এবং অরুনা সেনের বাসস্থানএখানে। পৌরসভার চেয়ারম্যান জনাব আবদুল হাই এর জন্ম স্থান। এখানকার কোকোলামসজিদ অনুপম সৌন্দর্যের প্রতীক।

ডামুড্যাঃবিখ্যাত নদী বন্দর ও ব্যবসা কেন্দ্র।বিশিষ্ট জননেতা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক আবদুররাজ্জাক এখানে জন্মগ্রহণ করেন। অপর প্রাক্তন সংসদ সদস্য জনাব আওরঙ্গজেব, উপমহাদেশের বিশিষ্ট বীমাবিদ জনাব খোদাব্ক্স, এককালীন সাংসদ জনাব ইঞ্জিনিয়ারফারুক আলম ছাড়াও বহ গণ্যমান্য ব্যক্তি এখানে জন্মগ্রহণ করেন।

কনেশ্বরঃজমিদার শ্রীযুক্ত কামাখ্যা চরনচট্রোপাধ্যায়ের বাসস্থান। ব্রিটিশ জমানা হতে এখানে একটি তহসিল অফিস আছে।বিশিষ্ট সমাজ কর্মী ও রাজনীতিক জনাব শেখ আলী আশরাফ এবং জননেতা সেলিম মিয়ারজন্মস্থান।

সিভাড্যাঃশ্রীযুক্ত আশুতোষ ভট্রাচার্য ও শৈলেন্দ্রনাথ রায় আই.সি,এককালীন পশ্চিম বঙ্গ সরকারের মূখ্য সচিব এখানকার সিভাড্যাগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন । এ গ্রামের চৌধুরী পরিবার বিখ্যাত।

হাটুরিয়াঃএককালে স্টিমার স্টেশন ছিল। এখানকারকালিবাড়ি ও সখালুতলার দূর্গা প্রসিদ্ধ। কোলকাতার ঠাকুর বংশীয় জমিদারকালীকৃষ্ণ ঠাকুরের জমিদারি কাচারি এখানে এখনও আছে। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওসমাজকর্মী জনাব শামসুর রহমান (শাহজাদা মিয়া),ব্রিটিশ জমানার বিশিষ্ট মুসলিমজমিদার সেকান্দার আলী চৌধুরী ও তার পুত্র রওশন আলী চৌধুরীর জন্মস্থান।এখানকার জমিদার নওয়াব আলী চৌধুরীও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

ধানকাঠিঃবহু কায়স্থ ভদ্রলোকের বাসস্থান। এখানকারকালী প্রসাদ রায় ও তার ভগ্নী জাহ্নবী চৌধুরীর প্রখ্যাত ব্যক্তি। বিশিষ্টব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী আবুল কালাম আজাদের জন্মস্থান।

ইদিলপুরঃএককালের বিখ্যাত পরগণার নাম। এখানকারজমিদারগণ বাংলার বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কালী প্রসন্নঘোষ, সাধনা ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা যোগেশচন্দ্র ঘোষের জন্মস্থান। বাংলারবিশিষ্ট কন্ঠ শিল্পী গীতা দত্তের পিতৃভূমি।

লোনসিংহ:পূর্বে লোনসিং একটি থানা ছিল। দেশখ্যাতবোশ কয়েকজন ব্যক্তিত্বের জন্মস্থান এই গ্রাম। এখানকার ডেপুটি বাড়ি বিখ্যাত।রায় বাহাদুর অভয় চরণ দাস, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃতকালাপানি ভোগকারী পুলিন বিহারী দাস, বৈজ্ঞানিক গোপাল চন্দ্র ভট্রাচার্য সহএখানে জন্মগ্রহণকারী বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের কর্মকান্ডের জন্য সুখ্যাতিঅর্জন করেছেন।

সিরঙ্গলঃবারভূঞাদের প্রভাবকে নস্যাত করার মানসেসম্রাট আকবর তার পুত্র সেলিম (জাহাঙ্গীর) কে এখানে প্রেরণ করেছিলেন। তিনিএখানে একটি সেনানিবাস স্থাপন করেন। সেলিমের নামানুসারে এ গ্রামের নামপূর্বে ছিল সেলিম নগর। পরে ইহা সিরঙ্গলে পরিণত হয় । ঔপন্যাসিক আবু ইসহাকেরজন্মস্থান। এর পাশেই সাতপাড় গ্রামে বিশিষ্ট চিকিৎসাবিদ, সমাজকর্মী এবংএককালীন জাতীয় পরিষদ সদস্য ডাঃ কে এ জলিল জন্মগ্রহণ করেন।

কানুরগাঃকবি গোবিন্দ রায় ও তার ভ্রাতা বঙ্গবিখ্যাত ঢাকা জজকোর্টের উকিল আনন্দ চন্দ্র রায় এর জন্মস্থান।

মশুরাঃমহামহোপাধ্যায় তারিনী চরণ শিরোমনীর জন্মস্থান। এখানে উপমহাদেশের বৃহত্তমশিবলিঙ্গ মূর্তি পাওয়া গেছে।

ফতেজঙ্গপুরঃপ্রাচীন নাম শ্রীনগর। মুঘল সেনাপতি রাজমানসিংহ যখন বিক্রমপুর আক্রমণ করেন তাখন তার সহযোগী যোদ্ধাগণ এখানকার রাজাকেদার রায় কর্তৃক পরাস্ত হয়ে শ্রীনগরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। মানসিংহ তাদেরকেউদ্ধারের জন্য তার সেনাবাহিণী প্রেরণ করেন। ফলে প্রচন্ড যুদ্ধ সংঘঠিত হয়।কেদার রায় এ যুদ্ধে আহত হয়ে মৃত্যমুখে পতিত হন। জয় চিহ্ন স্বরুপ মানসিংহশ্রীনগরের নাম পরিবর্তন করে ফতেজঙ্গপুর রাখেন। ইহা বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ মদনমোহন বিদ্যাভূষণের জন্মস্থান। এখানে নাককাটা বাসুদেবের প্রস্থর মূর্তিআছে।

মগরঃপ্রখ্যাত কবি ও গীতিকার অতুল প্রসাদ সেনের জন্মস্থান।

রাজনগরঃবৈদ্য প্রধান স্থান। ফরিদপুরের ইতিহাসলেখক আনন্দ চন্দ্র রায়, ঢাকার ইতিহাস লেখক যতীন্দ্র নাথ রায় ও ঢাকারবিশিষ্ট উকিল রাজনীকান্ত গুপ্ত এদের জন্মস্থান। এখানকার অভয়া ও শিবলিঙ্গবিখ্যাত।

শ্রীপুরঃপূর্বেচাঁদরায় ও কেদার রায়ের বাসস্থান ছিল।

কেদারপুরঃকেদার রায় এখানে বাসস্থান তৈরী করতে চেয়েছিলেন। কিছু কাজ সমাপানান্তে তারমৃত্যু হওয়াতে উহ পরিত্যক্ত হয়। বাড়ির চতুষ্পার্শ্বে যে পরিখা খনন করতেছিলেন তার ভগ্নাবশেষ এখনও বিদ্যমান। ইহাকে কেদার রায়ের বাড়ির বেড় বলে।

উপসীঃব্রাক্ষণ জমিদার তারা প্রসন্নভট্রাচার্যের বাসস্থান। এখানকার উচ্চ বিদ্যালয়টি বেশ প্রাচীন ও নামকরা।

ডিঙ্গামানিকঃগোলক চন্দ্র সার্বভৌম ও শ্রীযুক্ত কালিকিশোর স্মৃতি রত্ন মহাশয়ের বাসস্থান। এখানে রামসাধুর আশ্রম বিখ্যাত ।

কার্তিকপুরঃপূর্বে একটি পরগনার নাম ছিল হোগলা। এনামে যে স্থান পরিচিত তার প্রকৃত নাম হোগলী। প্রখ্যাত মুসলিম জমিদার চৌধুরীপরিবারের বাসস্থান। এক কালীন পূর্ব পাকিস্তান মন্ত্রী পরিষদের সদস্যআলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন আহমদ চৌধুরীর জন্মস্থান। জবু সম্ভ্রান্ত ব্রাক্ষণ ওবৈদ্যের বাসস্থান। বিশিষ্ট জমিদার মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, রায় বাহদুররায়মোহন সেন ও শ্রীমন্ত কুমার দাস গুপ্ত এদের জন্মস্থান। শিল্পপতি ওশিক্ষানুরাগী জয়নুল হক শিকদার ও প্রাক্তন এমপি এম.এ রেজা এখানে জন্মগ্রহণকরেন।

চরআত্রাঃবিখ্যাত স্থান। এখানাকার অনেক অঞ্চলই আজপ্রমত্তা পদ্মার গর্ভে বিলীন। ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক খান সাহেব উপাধিতেভূিষত এবং পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ের জাতীয় পরিষদ সদস্য খান সাহেবআবদুল আজিজ মুনশি এখানে জন্মগ্রহণ করেন। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড.এ কে এম ফজলুলহকের জন্মস্থান ও এখানেই।

নওপাড়াঃবাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য সচিব জনাবফিরোজ আহমেদ এবং জর্দানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব গোলামমোহাম্মদের জন্মস্থান। পদ্মা নদীতে বিলীন হওয়া এবং পরে আবার জেগে ওঠা একটিবর্ধিষ্ণু জনপদ।

পাইকপাড়াঃবিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আবুল ফারাহ মুহাম্মদআবদুল হক ফরিদী এবং তাঁর যোগ্য সন্তান বাংলাদেশ সরকারের সাবেক কেবিনেট সচিবজনাব আতাউল ( জেলার একমাত্র সিএসপি) এর জন্মস্থান।

মোক্তারের চরঃবিশিষ্ট রাজনীতিক ও বায়ান্নর ভাষাআন্দোলনের বিশিষ্ট ছাত্রনেতা ও সাবেক পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের এম,এল এ, ডাঃগোলাম মাওলার জন্মস্থান।

সুরেশ্বরঃদেশখ্যাত স্থান। এ স্থানের নামে সবজিডাটা আছে। প্রাচীন নদীবন্দর। এখানকার বিখ্যাত পীর জান শরীফ এ মাজারে প্রতিবছর শীতকালে ওরস হয়।

মূলফতগঞ্জঃবিখ্যাত বন্দর ও হাট। বিশিষ্ট রাজনীতিক ওসমাজকর্মী জনাব আবদুল করিম দেওয়ান (মনাই দেওয়ান) এর জন্মস্থান।

বাহের দিঘীর পাড়ঃবিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও জাতীয় সংসদেরসদস্য এবং েডপুটি স্পীকার কর্ণেল শওকত আলীর জন্মস্থান।

কলুকাঠিঃবিশিষ্ট রাজনীতিক ও বাংলাদেশ সরকারেরপ্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী জনাব টি,এম গিয়াসউদ্দিন এবং বিশিষ্ট চার্টার্ডএকাউনেটেন্ট জনাব মোঃ সাইদুর রহমান, এনবিআর এর সাবেক সদস্য (কর) জনাব এ, এস. জহির মোহাম্মদ , ডাঃ আলমগীর মতি প্রমুখ এর জন্মস্থান।

বিলাসপুরঃবিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও এককালীনপূর্বপাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য জনাব আবদুর রশিদ খলিফার জন্মস্থান।বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ ইউনুস খলিফা ও এখানে জন্মগ্রহণ করেন।

কবিরাজ কান্দিঃবিশিষ্ট রাজনীতিক ও প্রাক্তন জাতীয় সংসদসদস্য আমিনুল ইসলাম দানেশ মিয়ার জন্মস্থান।

বড় মুলনাঃবিশিষ্ট পোষাক শিল্প কারখানার মালিক, রাজনীতিক ও ব্যবসায়া জনাব মোবারক আলী শিকদারের জন্মস্থান।

বড় গোপালপুরঃবিশিষ্ট রাজনীতি জনাব মাষ্টার মজিবুররহমান এবং দেশের বিশিষ্ট নির্মাত প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাসুদ এন্ড কোং এরম্যানেজিং ডাইরেক্টর জনাব মাকসুদুরল হক সিরাজী মাসুদ এর জন্মস্থান।

মাঝির ঘাটঃঢাকা-শরীয়তপুরের গেট ওয়ে। মাওয়া হতে সকলস্পীটবোট, লঞ্চ, ফেরি, ট্রলার এখানে এসে ভিড়ে। একটি ব্যস্ত নদী বন্দর।

ছবি